| 1. পটভুমি (Background) |
| 1.1. জনগোষ্ঠীর ঝুকি নিরূপুপ (Community Risk Assessment) |
| 1.2. পুর্বাভাস ভিত্তিক আগাম কার্যক্রম (Forecast-based Early Action) |
| 1.3. প্রক্রিয়ায় পূর্বাভাসভিত্তিক আগাম কার্যক্রম অন্তর্ভুক্তকরণ (Integration of FbA into CRA process) |
| 2. এলাকা পরিচিতি (Area Profile) |
| 2.1. জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের আপদ ও দুর্যোগের সংক্ষিপ্ত বিবরন (Brief description of Hazard and disasters of the District, Sub-districts, and Unions) |
| 2.2. ইউনিয়ন পরিচিতি (Union Profile) |
| 3. সিআরএ পদ্ধতি ও ধাপ সমূহ (Process and steps of CRA) |
| 3.1. আপদ, দুর্যোগ, উন্মূক্ততা, বিপদাপন্নতা, ও ঝুঁকি (Hazard, Disaster, Exposure, Vulnerability, and Risk) |
| 3.2. সিআরএ পদ্ধতি ও ধাপ সমূহ (Steps of CRA) |
| 3.3. তথ্য সংগ্রহ, প্রতিবেদন প্রস্তুত প্রনালী ও কৌশল (Data Collection and Reporting) |
| 3.4. সিআরএ-তে এফবিএ এর সংযোজন প্রক্রিয়া (Integration of FbA to CRA) |
| 4. জনগোষ্ঠীর সম্পদ ও ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং ঝুঁকি বিশ্লেষণ (Identification of community Risk and Resources, and Risk analysis) |
| 4.1. ইউনিয়নের সম্পদ ও ঝুঁকির চিত্র (Risk and Resource Map) |
| 4.2. দুর্যোগের মৌসুমী দিনপঞ্জি (Hazard Calendar) |
| 4.3. ইউনিয়নের আপদ ও বিপদাপন্ন খাত/সে (Hazard and vulnerable Sectors of the Union) |
| 4.4. ইউনিয়নের বিপদাপন্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত ওয়ার্ড (Vulnerability of the unions and affected ward) |
| 4.5. ইউনিয়নের জীবিকার মৌসুমি দিনপঞ্জি (Livelihood calendar) |
| 4.6. জীবিকার উপর দুর্যোগের প্রভাব বা বিপদাপন্নতা (Disaster impacts on livelihoods and their vulnerabilities) |
| 4.7. ইউনিয়নের দুর্যোগের ঐতিহাসিক সময়রেখা ও প্রবণতা (Historical Timeline for Different Hazards) |
| 5. ইউনিয়নের আগাম কার্যক্রম ও ঝুঁকি হ্রাসকরন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন (Anticipatory Action and Risk Reduction Action Plan) |
| 5.1. ইউনিয়নের আপদ, সৃষ্ট সমস্যাবলী ও তার কারন্সমূহ (Hazards, problems and causes) |
| 5.2. সেক্টর/খাত ভিত্তিক ঝুঁকি বিন্যাস বা অগ্রাধিকরন (Sector wise Risks analysis and prioritization) |
| 5.3. আগাম কার্যক্রম সহ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা (Risk reduction action plan including Early Action) |
| 5.4. সহযোগিতায় (Powered by) |
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকি নিরূপণ ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৭ সালে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ বা কমিউনিটি রিস্ক এ্যাসেসমেন্ট (সিআরএ) নির্দেশিকা প্রণয়ন করে। সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ অনুযায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) ও ঝুঁকিহ্রাস কর্মপরিকল্পনা (আরআরএপি) প্রস্তুত ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার-এর সহযোগিতার নিয়ে বেসরকারি সংস্থাসমূহ তাদের কার্যক্রম ও প্রকল্পসমূহে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিআরএ ও আরআরএপি প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করছে।
জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরূপণ (সিআরএ) হলো একটি অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি যার মাধ্যমে অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ সমীক্ষার (পিআরএ) বিভিন্ন কৌশল ও উপকরণ/টুলস ব্যবহার করে আপদ, বিপদাপন্নতা, ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এটি একটি অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতি যেখানে দুর্যোগে উন্মূক্ত ও বিপদাপন্ন স্থানীয় সকল পেশা ও শ্রেণীর মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। এ পদ্ধতিতে যে কোন এলাকার জনগোষ্ঠীর থেকে প্রাপ্ত জীবন-জীবিকা ও প্রতিষ্ঠানের গুনগত তথ্য সংগ্রহ করার পাশপাশি বিভিন্ন আপদ, দুর্যোগ, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যও ব্যবহার করা হয়।